cplusbd

নিউজটি শেয়ার করুন

ফটিকছড়িতে পাহাড়ি ঢলে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

1st Image

আনোয়ার হোসেন ফরিদ, ফটিকছড়ি (২০১৯-০৭-১১ ১২:৪৫:৫৫)

অবিরাম বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে ফটিকছড়ি উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।

হালদা নদী, ধুরুং, সর্তা, গজারিয়া, তেলপারী, ফটিকছড়ি, বারোমাসিয়া, মন্দাকিনীখালসহ বিভিন্ন খালের পানি বৃদ্ধি হওয়ায় মানুষের মাঝে শঙ্কা বিরাজ করছে।

ইতোমধ্যে কয়েকটি খালের পুরনো ভাঙা অংশ দিয়ে পানি প্রবেশ করে বিভিন্ন এলাকা তলিয়ে গেছে।

উপজেলার গহিরা হেয়াকো সড়কের আমতলী, চাড়ালিয়াহাট, শাহনগর এলাকার অংশসহ বিভিন্ন গ্রামীণ সড়ক পানিতে ডুবে গেছে।

এছাড়া নানুপুর, লেলাং, দৌলতপুর, সুন্দরপুর, সমিতিরহাট, কাজীরহাট, নারায়ণহাটসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের নিচু এলাকা পানিতে ভাসছে।

উপজেলা কৃষি অফিস জানিয়েছে,কয়েকটি ইউনিয়নের কৃষকের প্রায় ১ শত হেক্টর আউশ ধান ও বীজ তলা ডুবে গেছে।

নানুপুর ইউপি সদস্য তৌহিদুল আলম বলেন, নানুপুর ইউনিয়নের মন্নানিয়া সড়ক, গামরীতলা- ঢালকাটা সড়ক, পাঠান পাড়া সড়ক সহ কিছু গ্রামীণ সড়ক পানিতে তলিয়ে গেছে।

লেলাং ইউপি সদস্য মোহাম্মদ সরোয়ার হোসেন বলেন, ‘ভারি বর্ষণের ফলে তার এলাকার নিম্নাঞ্চল ও গ্রামীণ সড়কগুলো পানিতে তলিয়ে গেছে। লেলাং ও কুতুবছড়ি খালের পূর্বের ভাঙন দিয়ে পানি বের হওয়াতে কয়েকটি মৎস ও মুরগীর খামারেও পানি ঢুকে পড়েছে।

সমিতির হাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হারুনুর রশীদ ইমন বলেন ফটিকছড়ি উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল সমিতিরহাট ইউনিয়ন ইউনিয়ন। একটু নিচু হওয়াতে এই এলাকায় অধিকাংশ গ্রামীণ সড়ক দিয়ে পানি চলাচল করার কারণে অধিকাংশ এলাকায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে এবং অন্যদিকে হালদা নদীতে ৭টি বসতঘর নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

উপজেলা কৃষি অফিসার লিটন দেব নাথ বলেন, অব্যাহত বর্ষনে উপজেলার বাগান বাজার, দাঁতমারা, নারায়নহাট, ভূজপুর, লেলাং, নানুপুর, রোসাংগিরী, খিরাম ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে কৃষকের ৫০ হেক্টর আমন ধান ও ৪০ হেক্টর বীজ তলা পানিতে ডুবে রয়েছে।

অন্যদিকে নাজিরহাট পৌরসভা সোয়াবিন অংশে গহিরা ইয়াহু রামগড় সেকসন ১ সড়কে উপর দিয়ে পানি চলাচল করার কারণে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। 

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সায়েদুল আরেফীন বলেন, অব্যাহত বৃষ্টিতে উপজেলার সমিতিরহাট ইউনিয়নে ৭টি বসতঘর হালদায় বিলীন হয়ে গেছে। এছাড়া খিরাম ইউনিয়নের পাহাড়ী এলাকায় বসবাসরত ২০টি পরিবারকে সেখান থেকে সরিয়ে নিরাপদ আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে আসা হয়েছে, যে কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা করতে প্রশাসনের প্রস্তুতি রয়েছে। যেসব এলাকায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হবে তা চিহ্নিত করে সরকারিভাবে সহযোগিতা প্রদান করা হবে।